Pages

Thursday, March 13, 2014

চুল পড়ে তো টনক নড়ে চুল আছে তো সব আছে। যার নেই, সেই বোঝে।





চুল নিয়ে যাদের হাজারও সমস্যা তাদের কষ্টের জায়গাটি এ রকমই। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়টাতে ত্বক, চুলের দেখভাল বেশি প্রয়োজন। চুলের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানের হদিস দিয়ে দিলেন রূপবিশেষজ্ঞরা...
সতেজ দীঘল চুলের জন্য নিয়মিত যত্নই যথেষ্ট: গ্রীষ্ম শুরু হতে এখনো বাকি। তবে তার আগমনবার্তা চলে এসেছে। এখন বলতে গেলে দুই ধরনের আবহাওয়া। দিনে গরম, রাতে হালকা ঠান্ডা। এর মধ্যে চুলের ভারসাম্য ঠিক রাখা প্রয়োজন। রূপবিশেষজ্ঞরা মনে করেন এ সময় সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতিটা হয় সেটা হলো চুল রোদে পুড়ে যায়। এ কারণে অনেকের চুলে লালচে আভা চলে আসে। চুল পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। কারণটি হলো খুশকি। হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের চর্ম বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম বলেন, এ সময়ে মাথার চামড়ায় শুষ্কতার পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে খুশকি দেখা দেয়। যারা বাইরে বেশির ভাগ সময় আর্দ্রতার ভেতর কাজ করে থাকেন তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। সঙ্গে চুলকানির প্রবণতাও বেড়ে যায়। এ কারণে চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখাটা খুবই দরকারি। ত্বককে নরম রাখতে হবে। প্রতিদিন ভালোভাবে শ্যাম্পু করলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে।’আয়ুবের্দভিত্তিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা চুলের ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘বেশি শুষ্কতা থেকে চুলের আগা ফাটতে থাকে, চুল ভেঙে যায়। অনেকের মাথায় ছোট ছোট ফুসকুড়ি হয়। মাথা ঘেমে যায়। অনেকের
মাথায় ব্রণের মতো হয়।’ এসব সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য বাড়িতে চটজলদি প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক: রুক্ষতা থেকে বাঁচার উপায় আমলকী, ভৃঙ্গরাজ, মেথি, এক চা-চামচ নিম পাতা পেস্ট, নিম তেল সমপরিমাণে নিয়ে একসঙ্গে পেস্ট করে পুরো মাথায় লাগাবেন। এই প্যাকটি চুল কোমল করার পাশাপাশি সব ধরনের
ব্যাকটেরিয়াকে নষ্ট করে দেবে।
চুল পড়া কমাতে টকদই, আদার রস, মেথি, মেহেদি সমপরিমাণে নিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর মাথায় মেখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
চুল গজানোর প্যাক জবা ফুল, মেথি, নিম পাতা, জলপাই তেল একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্টকরে লাগালে ভালো ফল পাবেন। এটি চুলকে কালো করবে ও খুশকি থেকেও রেহাই পাবেন। এ ছাড়া নারকেল বাটা, আমলকীর রস, লেবুর রস, ঘৃতকুমারী, মেথি একসঙ্গে পেস্ট করে লাগালে চুল ঘন ও মসৃণ হবে। ডিমের সাদা অংশ, টকদই, মেহেদি ও লেবুর রস চুলকে মজবুত করবে, চুলপড়া বন্ধ করবে, রেশমি করে তুলবে। পেঁয়াজের রস, জবা, ত্রিফলা, নারকেল বাটা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তেল লাগানোর পর মাথার রোমকূপগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এরপর আপনি যা-ই লাগান
না কেন খুব একটা কাজ হয় না। এ কারণে তেল লাগানার পর অবশ্যই গরম পানিতে ভেজানো তোয়ালে মাথায় পেঁচিয়ে ভাপ নিতে হবে। এরপর আপনি প্যাক লাগালে উপকার পাবেন। রোদের তাপ থেকে রক্ষার জন্য যতটা সম্ভব চুল ঢেকে রাখা উচিত। ঠান্ডা পরিবেশে গিয়ে চুলটা খুলে দেওয়ার পরামর্শ দিলেন আফরোজা পারভীন। 
চুলের সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে চিন্তা করে নানারকম হেয়ার ট্রিটমেন্ট করেন অনেকে। ফলাফল হিতে বিপরীত। দরকার হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন। চুলের জন্য প্রোটিন খুবই দরকার। শুষ্ক চুলের অধিকারীরা মাসে দুই দিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করুন। এরপর ভালোভাবে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগাতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন তেল গরম করে ম্যাসেজ করুন। টকদই, মধু, কলা, পেঁপে খুব ভালো কাজ করে। তিনি বলেন, ‘এ সময়ে তৈলাক্ত চুলে তেলতেলে ভাব বেড়ে যায়। শুষ্ক চুল আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। দুটো জায়গা থেকেই ঝামেলা হয়। শুষ্ক চুলে বেশি শুষ্কতা চলে আসে। একই সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্য কমে যায়।’ চুল যে খারাপের দিকে যাচ্ছে, এটা প্রথম দিকে বোঝা যায় না। এক-দুই মাস পর ক্ষতিটা ধরা পড়ে বেশ ভালোভাবেই। সমস্যা হলো তত দিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে যায়। এ কারণে আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়টা থেকেই চুলের যত্ন নিন। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। বেশি ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমানোর আগে চুলের যত্ন নিতে হবে। এ ছাড়া ভ্রমণের সময় চুল ভেঙে যায়। এ সময়টা তাই একটু বাড়তি যত্ন দরকার। জ্বর, বেশি চিন্তিত
থাকলে, রক্তশূন্যতার কারণেও চুল বেশি পড়ে যায়। এই চুল আবার গজিয়ে যায়।
Always stay happy... Love yourself and your parents... SAIKOT

Tuesday, March 11, 2014

৫ মিনিটে দুশ্চিন্তা দূর করুন, মনকে রাখুন শান্ত!!!!!!!!


আমাদের জীবনের কিছু
বিষয়
া আমরা চাইলেও
এড়িয়
আছে
যা চলতে পারি না।
্যে একটি বিষয়।
দুশ্চিন্তা তার

ধ্যে
দুশ্চিন্তা থেকে আমরা সবাই
া তো আমাদের কথা মানে না। যখন-
তখন এসে ভর করে মনে, আর দূর করে
দূরে থাকতে চাই। কিন্ত দুশ্চি
ন্তা দেয় মনের শান্তি। কিন্তু
কিছুই কি করার নেই?
আছে, অবশ্যই আছে! আমরাই পারি আমাদের
ামের বিভীষিকা মাত্র ৫ মিনিটে।
চলুন তবে দেখে নেয়া যা
দুশ্চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। আমাদের নিজেদের কাজের
মাধ্যমে দূর হবে এই দুশ্চিন্তা
নাক নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে আমাদের
কোন কাজগুলো করতে হবে।
হাসুন মন খুলে
তাৎক্ষণিকভাবে মন থেকে দুশ্চিন্তা দূর করার প্রধাণ উপকরণ
যখনই দুশ্চিন্তা মনের কোণে ভর করা শুরু
করবে পুরনো কোন হাসির স্
হচ্ছে হাসি। হাসি মানুষের মনের দুশ্চিন্তা লুকোতে সময় নেয় মাত্র
১ মিনিট। তাই চিন্তার রেখা কপালে পড়তে বাঁধা দেয়ার জন্য হাসুন
মন খুলে।
তি মনে করে হাসুন। অথবা দেখুন কোন
হাসির ভিডিও।
ভালো বন্ধুটির সাথে কথা বলুন
মনে দুশ্চিন্তার আভাস আসা মাত্রই কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলুন।
ফোন করে কথা বলতে পারেন অথবা সামাজিক কোনো যোগাযোগের
খতে বেশ
কার্যকরী। যখনই মনে করবেন আপনি দুশ্চিন্তা করছে
মাধ্যমে সেরে নিতে পারেন কথা। মজার করুন মাত্র ৫ মিনিট।
দেখবেন দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে এই কথা বলার মাধ্যমেই।
মিষ্টি কোনো ঘ্রাণ নিন
মিষ্টি ধরণের ঘ্রাণ বা সুঘ্রাণ মানুষের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা
রান তখনই
আপনার পছন্দের কোনো মিষ্টি সুবাস নিয়েই দেখুন না। মাত্র ৫
মিনিটে দূর হবে দুশ্চিন্তা।
ধ্যান করুন
দুশ্চিন্তা দূর করার অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে ধ্যান করা।
কোনো ঠাণ্ডা জায়গায় বসে কিংবা প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় বসে ধ্যান
জেকে দিন
মাত্র ৫ মিনিটের ম্যাসাজ। ঘাড়, মাথা, কাঁধে ন
করে নিন মাত্র ৫ মিনিট। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন সকল চাপ।
দেখবেন দুশ্চিন্তা দূর হয়ে মনে ভর করেছে প্রশান্তি।
ম্যাসাজ করুন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে ঘাড়ে, গলায় এবং মাথায়
ব্যথা করা শুরু করে। তাই দুশ্চিন্তার বিষ ঝেড়ে ফেলতে
নিজের হাতে ম্যাসাজ
করে নিন।
গান শুনুন
গান মানুষের মস্তিষ্ককে শান্ত রাখার সব চাইতে ভালো উপায়।
দুশ্চিন্তা ভর করা মাত্রই কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে গান শুনে নিন
মাত্র ৫ মিনিট। দেখবেন দুশ্চিন্তার পাশাপাশি মন মেজাজের
খিটখিটে ভাবও দূর হয়ে গিয়েছে।
If you are benefited with this post please inspire me by commenting.... SAIKOT
ALWAYS STAY HAPPY...

ফেসবুকে এবার ফ্রি কলের সুবিধা.


ফেসবুকের
সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জারঅ্যাপলিকেশন থেকে ফ্রিতে ফোনকরা যাবে।ম্যাসেঞ্জন পালক লাগল ফেসবুকের মুকুটে। ফেসবুকেরম্যাসেঞ্জফের এক নতুর অপশনে ফের এক নতুন প্রযুক্তির আগমণ। এর হাতথেকে ফেসবুকের সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনর সংস্থা। এখনথেকে ফেসবুকের সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনধরেই বাজারে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মার্ক জুকারবার্গেথেকে ফ্রিতে ফোন করা যাবে।বাজার চলতি সেই সমস্ত সংস্থা যেমনফেসবুকও।ফেয়, তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এবার নেমে পড়লফেসবুকও।ফভি-চ্যাট, ভিবর বা লাইনের মত সংস্থা যাঁরা ফ্রি ফোন কলেরসুবিধাদেসবুক ম্যাসেঞ্জারের সাহায্যে আগে থেকেই চ্যাট, ফোট চ্যাটবা ভিডিও চ্যাট করা যেত। এরজন্য যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল ফেসবুকনড্রোয়েড ফোনগুলিতে পাওয়া যাবে। এছাড়া অ্যানড্রোয়েডফোনে একটম্যাসেঞ্জার। এখন থেকে পাওয়া যাবে বিনা মূল্যে ফোনের সুবিধাও।তবে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের নতুন এই সুবিধা শুধুমাত্রঅ্যা রিসিভার ও কলারের একটা তালিকা দরকার, ফ্রি ফোন

করার জন্য।


Mid-term Is knocking at the door... That is why It might take some time for new post. Thank You... SAIKOT