Pages

Thursday, July 17, 2014

ঘরে বসেই ফ্রুট ফেসিয়াল...

পার্লারে যারা ফেসিয়াল করান, তারা সকলেই জানেন যে ফ্রুট ফেসিয়াল কি বহুমূল্য একটা বস্তু। তবে এখন আর পার্লার যেতে হবে না, ঘরে বসেই আপনি সেরে নিতে পারবেন চমৎকার ফ্রুট ফেসিয়াল।
ত্বক তো সুন্দর থাকবেই থাকবে, সাথে অনেকগুলো টাকাও সাশ্রয় হবে।
কলা-
কলার মধ্যে ভিটামিন এ, বি ও ই পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ফেশিয়ালের জন্য প্রথমে ভাল করে পাকা কলা চটকে নিয়ে তার মধ্যে মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর জলে ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।
লেবু-
ভিটামিন সি-এর উৎস লেবু। এটি ব্লিচের কাজ করে। মুখের দাগ, অ্যাকনে, স্কিন টোনিং ও মুখকে পরিষ্কার করতে সক্ষম। এছাড়াও এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে হাফ লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ মধু দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে নিজের দিনের শুরুটা করুন। এতে উপকারটা আপনারই। এটি সেলুলয়েড গঠনে সাহায্য করে এবং ভিতর থেকে আপনার ত্বককে পরিষ্কার করে। লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে লাগালেও মুখকে দাগমুক্ত করতে সাহায্য করে ও উজ্জ্বল করে তোলে।
কমলালেবু-
কমলালেবুর মধ্যে ভিটামিন সি আছে, যা ত্বককে উন্নত করতে সাহায্য করে। মুখের দাগ হ্রাস করতে ও বয়সের ছাপ দূর করতে খুব উপকারী। শুকনো কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো করে নিয়ে তা দিয়ে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন মুখে মাসাজ করতে হবে। এটি স্ক্রাবারের কাজ করে।
আপেল-
আপেলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। এটি এক ভাল হাইড্রেটিং ফেস প্যাক। যা আপনার মুখকে বলি রেখার হাত থেকে রক্ষা করবে।
পেঁপে-
মুখের মোরা কোষ হ্রাস করতে পেঁপে ভীষণ কার্যকরী। মুখে পেঁপের ভিতরের অংশটা মুখে ১ মিনিট ধরে ঘষতে পারেন। এতে মুখ নরম ও পরিষ্কার হয়। পেঁপে ও তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে ২০ মিনিটের জন্য মুখে মাস্কের মত লাগিয়ে নিন। এবার ২০ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এবার মুখে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। পার্থক্যটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
পোস্টটি ভালো লাগলে Like, Comments ও Share করতে ভুল করবেন না। নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সাহয্য করুন।নিয়মিত লাইক কমেন্টস না করলে এই মুল্যবান পোস্টগুলো আর আপনার ওয়ালে খুজে পাবেন না। ধন্যবাদ

Sunday, July 6, 2014

চুল পড়ে গেলে যা করণীয়

চুল পড়াটা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যেই দুশ্চিন্তার বিষয়। মানসিক চাপ, অসুস্থতা, অতিরিক্ত চুলের চিকিৎসা, হরমোনের পরিবর্তন, কেমোথেরাপি এবং জিনগত কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট উপায় মেনে চলে এই চুল পড়া অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। আর যদি পড়েও যায় তাহলে এর অভাব পূরণ করা সম্ভব।
চুল পড়ে গেলে যা করণীয়

আসুন জেনে নিই চুল পড়ে গেলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়:


হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট: 
ছেলেদের মধ্যে এই পদ্ধতিটি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতিতে মাথার ঘন চুলের অংশ থেকে চুল নিয়ে পাতলা অংশে লাগিয়ে দেওয়া হয়। অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্ট ধৈর্যের সঙ্গে এ কাজটি করতে পারেন।

যা রয়েছে তাকে ধরে রাখা: 
যেটুকু চুল রয়েছে তা বড় করতে পারেন। এরপর ফাঁকা অংশে সেগুলোকে মানানসই করে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে কিছুটা চুলের অভাব লাঘব হবে।

টুপি এবং কৃত্রিম চুল: 
চুল যদি পড়ে গিয়েই থাকে তবে তা দৃষ্টির বাইরে রাখতে ক্যাপ বা হ্যাট ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া কৃত্রিম চুলও পাওয়া যায় বাজারে। মানানসই দেখে একটি উপায় ব্যবহার করতে পারেন।

আত্মবিশ্বাস: 
চুল পড়ে যাওয়াতে নিজের ওপর থেকে আত্মবিশ্বাস চলে যায়। তাই যদি কোনভাবে আত্মবিশ্বাসের ওপর এ আঘাত না আসতে দিতে পারেন, তবে আপনার জন্য চুল পড়া কোনো সমস্যাই নয়। তাই চুল পড়াতে কোনো সমস্যা নেই। আপনি এগিয়ে যাবেন আপনার মতো।

প্রসাধনী: 
চুল পড়া রোধের জন্য বিভিন্ন পণ্যের একটি বড় বাজার রয়েছে। এসব প্রতিটি পণ্যের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানীকভাবে প্রমাণিত না হলেও আপনার চুল পড়া রোধে গ্যারান্টি দেয় প্রতিটি। এদের মধ্যে রিগেইন এবং প্রোপেসিয়া বেশ জনপ্রিয়। রিগেইন একেবারে মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে হয়। আর প্রোপেসিয়া ফার্মাসিস্টদের তৈরিকৃত পণ্য যা খেতে হয়। এ দুটোর ক্ষেত্রে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন অনেকে। এ ছাড়া রয়েছে ডারমাচ। এটি চুল গজাতে না পারলেও গোটা অংশে পাতলা চুলের আস্তরণের একটি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে পারে। 

Thursday, March 13, 2014

চুল পড়ে তো টনক নড়ে চুল আছে তো সব আছে। যার নেই, সেই বোঝে।





চুল নিয়ে যাদের হাজারও সমস্যা তাদের কষ্টের জায়গাটি এ রকমই। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়টাতে ত্বক, চুলের দেখভাল বেশি প্রয়োজন। চুলের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানের হদিস দিয়ে দিলেন রূপবিশেষজ্ঞরা...
সতেজ দীঘল চুলের জন্য নিয়মিত যত্নই যথেষ্ট: গ্রীষ্ম শুরু হতে এখনো বাকি। তবে তার আগমনবার্তা চলে এসেছে। এখন বলতে গেলে দুই ধরনের আবহাওয়া। দিনে গরম, রাতে হালকা ঠান্ডা। এর মধ্যে চুলের ভারসাম্য ঠিক রাখা প্রয়োজন। রূপবিশেষজ্ঞরা মনে করেন এ সময় সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতিটা হয় সেটা হলো চুল রোদে পুড়ে যায়। এ কারণে অনেকের চুলে লালচে আভা চলে আসে। চুল পড়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। কারণটি হলো খুশকি। হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের চর্ম বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম বলেন, এ সময়ে মাথার চামড়ায় শুষ্কতার পরিমাণ বেড়ে যায়। এ কারণে খুশকি দেখা দেয়। যারা বাইরে বেশির ভাগ সময় আর্দ্রতার ভেতর কাজ করে থাকেন তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। সঙ্গে চুলকানির প্রবণতাও বেড়ে যায়। এ কারণে চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখাটা খুবই দরকারি। ত্বককে নরম রাখতে হবে। প্রতিদিন ভালোভাবে শ্যাম্পু করলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে।’আয়ুবের্দভিত্তিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা চুলের ক্ষতির দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘বেশি শুষ্কতা থেকে চুলের আগা ফাটতে থাকে, চুল ভেঙে যায়। অনেকের মাথায় ছোট ছোট ফুসকুড়ি হয়। মাথা ঘেমে যায়। অনেকের
মাথায় ব্রণের মতো হয়।’ এসব সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য বাড়িতে চটজলদি প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক: রুক্ষতা থেকে বাঁচার উপায় আমলকী, ভৃঙ্গরাজ, মেথি, এক চা-চামচ নিম পাতা পেস্ট, নিম তেল সমপরিমাণে নিয়ে একসঙ্গে পেস্ট করে পুরো মাথায় লাগাবেন। এই প্যাকটি চুল কোমল করার পাশাপাশি সব ধরনের
ব্যাকটেরিয়াকে নষ্ট করে দেবে।
চুল পড়া কমাতে টকদই, আদার রস, মেথি, মেহেদি সমপরিমাণে নিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। এরপর মাথায় মেখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
চুল গজানোর প্যাক জবা ফুল, মেথি, নিম পাতা, জলপাই তেল একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্টকরে লাগালে ভালো ফল পাবেন। এটি চুলকে কালো করবে ও খুশকি থেকেও রেহাই পাবেন। এ ছাড়া নারকেল বাটা, আমলকীর রস, লেবুর রস, ঘৃতকুমারী, মেথি একসঙ্গে পেস্ট করে লাগালে চুল ঘন ও মসৃণ হবে। ডিমের সাদা অংশ, টকদই, মেহেদি ও লেবুর রস চুলকে মজবুত করবে, চুলপড়া বন্ধ করবে, রেশমি করে তুলবে। পেঁয়াজের রস, জবা, ত্রিফলা, নারকেল বাটা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। তেল লাগানোর পর মাথার রোমকূপগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এরপর আপনি যা-ই লাগান
না কেন খুব একটা কাজ হয় না। এ কারণে তেল লাগানার পর অবশ্যই গরম পানিতে ভেজানো তোয়ালে মাথায় পেঁচিয়ে ভাপ নিতে হবে। এরপর আপনি প্যাক লাগালে উপকার পাবেন। রোদের তাপ থেকে রক্ষার জন্য যতটা সম্ভব চুল ঢেকে রাখা উচিত। ঠান্ডা পরিবেশে গিয়ে চুলটা খুলে দেওয়ার পরামর্শ দিলেন আফরোজা পারভীন। 
চুলের সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে চিন্তা করে নানারকম হেয়ার ট্রিটমেন্ট করেন অনেকে। ফলাফল হিতে বিপরীত। দরকার হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন। চুলের জন্য প্রোটিন খুবই দরকার। শুষ্ক চুলের অধিকারীরা মাসে দুই দিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করুন। এরপর ভালোভাবে শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগাতে হবে। সপ্তাহে দুই দিন তেল গরম করে ম্যাসেজ করুন। টকদই, মধু, কলা, পেঁপে খুব ভালো কাজ করে। তিনি বলেন, ‘এ সময়ে তৈলাক্ত চুলে তেলতেলে ভাব বেড়ে যায়। শুষ্ক চুল আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। দুটো জায়গা থেকেই ঝামেলা হয়। শুষ্ক চুলে বেশি শুষ্কতা চলে আসে। একই সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্য কমে যায়।’ চুল যে খারাপের দিকে যাচ্ছে, এটা প্রথম দিকে বোঝা যায় না। এক-দুই মাস পর ক্ষতিটা ধরা পড়ে বেশ ভালোভাবেই। সমস্যা হলো তত দিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে যায়। এ কারণে আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়টা থেকেই চুলের যত্ন নিন। চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। বেশি ক্ষারযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমানোর আগে চুলের যত্ন নিতে হবে। এ ছাড়া ভ্রমণের সময় চুল ভেঙে যায়। এ সময়টা তাই একটু বাড়তি যত্ন দরকার। জ্বর, বেশি চিন্তিত
থাকলে, রক্তশূন্যতার কারণেও চুল বেশি পড়ে যায়। এই চুল আবার গজিয়ে যায়।
Always stay happy... Love yourself and your parents... SAIKOT

Tuesday, March 11, 2014

৫ মিনিটে দুশ্চিন্তা দূর করুন, মনকে রাখুন শান্ত!!!!!!!!


আমাদের জীবনের কিছু
বিষয়
া আমরা চাইলেও
এড়িয়
আছে
যা চলতে পারি না।
্যে একটি বিষয়।
দুশ্চিন্তা তার

ধ্যে
দুশ্চিন্তা থেকে আমরা সবাই
া তো আমাদের কথা মানে না। যখন-
তখন এসে ভর করে মনে, আর দূর করে
দূরে থাকতে চাই। কিন্ত দুশ্চি
ন্তা দেয় মনের শান্তি। কিন্তু
কিছুই কি করার নেই?
আছে, অবশ্যই আছে! আমরাই পারি আমাদের
ামের বিভীষিকা মাত্র ৫ মিনিটে।
চলুন তবে দেখে নেয়া যা
দুশ্চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। আমাদের নিজেদের কাজের
মাধ্যমে দূর হবে এই দুশ্চিন্তা
নাক নিজেকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখতে আমাদের
কোন কাজগুলো করতে হবে।
হাসুন মন খুলে
তাৎক্ষণিকভাবে মন থেকে দুশ্চিন্তা দূর করার প্রধাণ উপকরণ
যখনই দুশ্চিন্তা মনের কোণে ভর করা শুরু
করবে পুরনো কোন হাসির স্
হচ্ছে হাসি। হাসি মানুষের মনের দুশ্চিন্তা লুকোতে সময় নেয় মাত্র
১ মিনিট। তাই চিন্তার রেখা কপালে পড়তে বাঁধা দেয়ার জন্য হাসুন
মন খুলে।
তি মনে করে হাসুন। অথবা দেখুন কোন
হাসির ভিডিও।
ভালো বন্ধুটির সাথে কথা বলুন
মনে দুশ্চিন্তার আভাস আসা মাত্রই কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলুন।
ফোন করে কথা বলতে পারেন অথবা সামাজিক কোনো যোগাযোগের
খতে বেশ
কার্যকরী। যখনই মনে করবেন আপনি দুশ্চিন্তা করছে
মাধ্যমে সেরে নিতে পারেন কথা। মজার করুন মাত্র ৫ মিনিট।
দেখবেন দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে এই কথা বলার মাধ্যমেই।
মিষ্টি কোনো ঘ্রাণ নিন
মিষ্টি ধরণের ঘ্রাণ বা সুঘ্রাণ মানুষের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা
রান তখনই
আপনার পছন্দের কোনো মিষ্টি সুবাস নিয়েই দেখুন না। মাত্র ৫
মিনিটে দূর হবে দুশ্চিন্তা।
ধ্যান করুন
দুশ্চিন্তা দূর করার অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে ধ্যান করা।
কোনো ঠাণ্ডা জায়গায় বসে কিংবা প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় বসে ধ্যান
জেকে দিন
মাত্র ৫ মিনিটের ম্যাসাজ। ঘাড়, মাথা, কাঁধে ন
করে নিন মাত্র ৫ মিনিট। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন সকল চাপ।
দেখবেন দুশ্চিন্তা দূর হয়ে মনে ভর করেছে প্রশান্তি।
ম্যাসাজ করুন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে ঘাড়ে, গলায় এবং মাথায়
ব্যথা করা শুরু করে। তাই দুশ্চিন্তার বিষ ঝেড়ে ফেলতে
নিজের হাতে ম্যাসাজ
করে নিন।
গান শুনুন
গান মানুষের মস্তিষ্ককে শান্ত রাখার সব চাইতে ভালো উপায়।
দুশ্চিন্তা ভর করা মাত্রই কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে গান শুনে নিন
মাত্র ৫ মিনিট। দেখবেন দুশ্চিন্তার পাশাপাশি মন মেজাজের
খিটখিটে ভাবও দূর হয়ে গিয়েছে।
If you are benefited with this post please inspire me by commenting.... SAIKOT
ALWAYS STAY HAPPY...

ফেসবুকে এবার ফ্রি কলের সুবিধা.


ফেসবুকের
সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জারঅ্যাপলিকেশন থেকে ফ্রিতে ফোনকরা যাবে।ম্যাসেঞ্জন পালক লাগল ফেসবুকের মুকুটে। ফেসবুকেরম্যাসেঞ্জফের এক নতুর অপশনে ফের এক নতুন প্রযুক্তির আগমণ। এর হাতথেকে ফেসবুকের সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনর সংস্থা। এখনথেকে ফেসবুকের সোশ্যাল ম্যাসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনধরেই বাজারে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মার্ক জুকারবার্গেথেকে ফ্রিতে ফোন করা যাবে।বাজার চলতি সেই সমস্ত সংস্থা যেমনফেসবুকও।ফেয়, তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এবার নেমে পড়লফেসবুকও।ফভি-চ্যাট, ভিবর বা লাইনের মত সংস্থা যাঁরা ফ্রি ফোন কলেরসুবিধাদেসবুক ম্যাসেঞ্জারের সাহায্যে আগে থেকেই চ্যাট, ফোট চ্যাটবা ভিডিও চ্যাট করা যেত। এরজন্য যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল ফেসবুকনড্রোয়েড ফোনগুলিতে পাওয়া যাবে। এছাড়া অ্যানড্রোয়েডফোনে একটম্যাসেঞ্জার। এখন থেকে পাওয়া যাবে বিনা মূল্যে ফোনের সুবিধাও।তবে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের নতুন এই সুবিধা শুধুমাত্রঅ্যা রিসিভার ও কলারের একটা তালিকা দরকার, ফ্রি ফোন

করার জন্য।


Mid-term Is knocking at the door... That is why It might take some time for new post. Thank You... SAIKOT

Friday, March 7, 2014

Orange/lemon peel and milk face pac

orange /lemon peel powder, a tablespoon of raw milk


1
Take a spoonful of orange or lemon peel powder in a bowl.
2
Add a teaspoon of raw milk to it and make it into a paste.
3
If you have dried lemon peel then after adding the milk, you can grate it in a food mixer.
4
Add more peel powder. If it is too runny, create a smooth paste which makes it easy to apply.
5
Once done with the paste, apply the mixture on the face. Let it dry and then wash off with water.
6
This pack has milk which is great for making skin supple and moisturized. The lemon/ orange peel has vitamin c and citrus acid which helps the pack to lighten the skin tone and to reduce tanning.
7
Do apply a small amount on a small area to see whether the lemon powder is too harsh for your skin. Do not apply directly on irritated skin which may lead to more irritation. 

Sunday, January 26, 2014

এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান

এনার্জি সেভিং বাল্ব এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বাতি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সম্প্রতি এনার্জি সেভিং বাতির বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন যে এই বাতিগুলো ভেঙে গেলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে।
এসব বাল্ব কোনভাবে ভেঙে গেলে ঘরের সবাইকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ৈ যেতে হবে। কমপক্ষে ১৫ মিনিট ঘরের বাইরে থাকতে হবে। এসব বাল্বে আছে বিষাক্ত পারদ বা মার্কারী।
এটি মাথাব্যাথ্যা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি নিশ্বাসের সাথে টেনে নেয়াও বিপজ্জনক।
এলার্জিগ্রস্থ লোকেরা এটি স্পর্শ করলে বা নিশ্বাসের সাথে টেনে নিলে ত্বকের মারাত্মক সমস্যা বা অন্যকোন বিপত্তিতে পড়বেন। আরো হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে যে, ভাঙা বাল্বের আবর্জনা ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যে পরিষ্কারও করা যাবে না। কারণ এর ফলে দূষণ ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য কক্ষে।
সাধারণভাবে ঝাড়ু দিয়ে সাফ করতে হবে এসব আবর্জনা। তারপর ব্যাগে পুরে ডাস্টবিনে ফেলেদিয়ে আসতে হবে। সীসা কিংবা আর্সেনিকের চাইতেও পারদ মানবদেহের জন্য বেশি মারাত্মক।
কী করতে হবেঃ পরিবেশ ও খাদ্যবিভাগের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত হুঁশিয়ারী দেয়া হয়েছে :
  • এনার্জি সেভিং বাল্ব ভেঙে গেলে দ্রুত ঘর থেকে বেড়িয়ে যান, কাচের ভাঙা টুকরো মাড়াবেন না।
  • ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে পারদের ক্ষুদ্র কণা ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য কক্ষে।
  • ঘর পরিষ্কার করার আগ হাতে দস্তানা পড়ে নিন।
  • আবর্জনা একটি প্লাস্টিক ব্যাগে রাখুন। ব্যাগের মুখ বন্ধ করে দিন।
  • এই ব্যাগ দূষিত আবর্জনা রাখার ডাস্টবিনে ফেলে আসুন।
  • ভাঙা বাল্বের ধুলো কখনোই নিশ্বাসের সাথে টেনে নেবেন না।
Pray For me and always stay fine.... I would be there with some new info and tips.... Allah HafiZ