চুল পড়াটা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যেই দুশ্চিন্তার বিষয়। মানসিক চাপ, অসুস্থতা, অতিরিক্ত চুলের চিকিৎসা, হরমোনের পরিবর্তন, কেমোথেরাপি এবং জিনগত কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট উপায় মেনে চলে এই চুল পড়া অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। আর যদি পড়েও যায় তাহলে এর অভাব পূরণ করা সম্ভব।
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট:
ছেলেদের মধ্যে এই পদ্ধতিটি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতিতে মাথার ঘন চুলের অংশ থেকে চুল নিয়ে পাতলা অংশে লাগিয়ে দেওয়া হয়। অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্ট ধৈর্যের সঙ্গে এ কাজটি করতে পারেন।
যা রয়েছে তাকে ধরে রাখা:
যেটুকু চুল রয়েছে তা বড় করতে পারেন। এরপর ফাঁকা অংশে সেগুলোকে মানানসই করে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে কিছুটা চুলের অভাব লাঘব হবে।
টুপি এবং কৃত্রিম চুল:
চুল যদি পড়ে গিয়েই থাকে তবে তা দৃষ্টির বাইরে রাখতে ক্যাপ বা হ্যাট ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া কৃত্রিম চুলও পাওয়া যায় বাজারে। মানানসই দেখে একটি উপায় ব্যবহার করতে পারেন।
আত্মবিশ্বাস:
চুল পড়ে যাওয়াতে নিজের ওপর থেকে আত্মবিশ্বাস চলে যায়। তাই যদি কোনভাবে আত্মবিশ্বাসের ওপর এ আঘাত না আসতে দিতে পারেন, তবে আপনার জন্য চুল পড়া কোনো সমস্যাই নয়। তাই চুল পড়াতে কোনো সমস্যা নেই। আপনি এগিয়ে যাবেন আপনার মতো।
প্রসাধনী:
চুল পড়া রোধের জন্য বিভিন্ন পণ্যের একটি বড় বাজার রয়েছে। এসব প্রতিটি পণ্যের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানীকভাবে প্রমাণিত না হলেও আপনার চুল পড়া রোধে গ্যারান্টি দেয় প্রতিটি। এদের মধ্যে রিগেইন এবং প্রোপেসিয়া বেশ জনপ্রিয়। রিগেইন একেবারে মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে হয়। আর প্রোপেসিয়া ফার্মাসিস্টদের তৈরিকৃত পণ্য যা খেতে হয়। এ দুটোর ক্ষেত্রে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন অনেকে। এ ছাড়া রয়েছে ডারমাচ। এটি চুল গজাতে না পারলেও গোটা অংশে পাতলা চুলের আস্তরণের একটি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে পারে।

আসুন জেনে নিই চুল পড়ে গেলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়:
হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট:
ছেলেদের মধ্যে এই পদ্ধতিটি ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতিতে মাথার ঘন চুলের অংশ থেকে চুল নিয়ে পাতলা অংশে লাগিয়ে দেওয়া হয়। অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্ট ধৈর্যের সঙ্গে এ কাজটি করতে পারেন।
যা রয়েছে তাকে ধরে রাখা:
যেটুকু চুল রয়েছে তা বড় করতে পারেন। এরপর ফাঁকা অংশে সেগুলোকে মানানসই করে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে কিছুটা চুলের অভাব লাঘব হবে।
টুপি এবং কৃত্রিম চুল:
চুল যদি পড়ে গিয়েই থাকে তবে তা দৃষ্টির বাইরে রাখতে ক্যাপ বা হ্যাট ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া কৃত্রিম চুলও পাওয়া যায় বাজারে। মানানসই দেখে একটি উপায় ব্যবহার করতে পারেন।
আত্মবিশ্বাস:
চুল পড়ে যাওয়াতে নিজের ওপর থেকে আত্মবিশ্বাস চলে যায়। তাই যদি কোনভাবে আত্মবিশ্বাসের ওপর এ আঘাত না আসতে দিতে পারেন, তবে আপনার জন্য চুল পড়া কোনো সমস্যাই নয়। তাই চুল পড়াতে কোনো সমস্যা নেই। আপনি এগিয়ে যাবেন আপনার মতো।
প্রসাধনী:
চুল পড়া রোধের জন্য বিভিন্ন পণ্যের একটি বড় বাজার রয়েছে। এসব প্রতিটি পণ্যের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানীকভাবে প্রমাণিত না হলেও আপনার চুল পড়া রোধে গ্যারান্টি দেয় প্রতিটি। এদের মধ্যে রিগেইন এবং প্রোপেসিয়া বেশ জনপ্রিয়। রিগেইন একেবারে মাথার ত্বকে ব্যবহার করতে হয়। আর প্রোপেসিয়া ফার্মাসিস্টদের তৈরিকৃত পণ্য যা খেতে হয়। এ দুটোর ক্ষেত্রে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন অনেকে। এ ছাড়া রয়েছে ডারমাচ। এটি চুল গজাতে না পারলেও গোটা অংশে পাতলা চুলের আস্তরণের একটি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে পারে।











